Showing posts with label আজব খবর. Show all posts
Showing posts with label আজব খবর. Show all posts

যে দেশে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বেশি ধর্ষিত হয়!

যে দেশে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বেশি ধর্ষিত হয়!
                        যে দেশে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বেশি ধর্ষিত হয়!   
দিন দিন ধর্ষণ ক্রমশ সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে।সারা বিশ্বেই  ধর্ষিতা হচ্ছেন মেয়েরা। কিন্তু জানেন কি, যে এই পৃথিবীতে এমন দেশও রয়েছে, যেখানে মেয়েদের থেকে অনেক বেশি ধর্ষিত হতে হয় ছেলেদের!
না, তেমন কোনও খটমট নাম না সেদেশের। আপনি শোনেননি তেমনও নয়। আমেরিকাতেই এরকম। সেখানে মেয়েদের থেকে অনেক বেশি ধর্ষিত হতে হয় ছেলেদের।
এর কারণ, সে দেশের জেলের পদ্ধতি। জেলের মধ্যে বা সামাজিক ক্ষেত্রেও সে দেশে সমকামিতাও যে বেশি।
তাই যে সমস্ত পুরুষরা অপরাধ করে জেলে যায়, তাদের জেলের মধ্যেও ধর্ষণ  করা হয় বহু ক্ষেত্রে। আর এই সংখ্যাগুলো যোগ করে দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছরই আমেরিকাতে মেয়েদের থেকে অনেক বেশি ধর্ষিত হতে হয় ছেলেদের। বুঝুন কাণ্ড!

২ বিয়ে না করলে যাবজ্জীবন জেল যে দেশে!

২ বিয়ে না করলে যাবজ্জীবন জেল যে দেশে!
                               ২ বিয়ে না করলে যাবজ্জীবন জেল!
প্রত্যেক সক্ষম পুরুষকে অন্তত দুটো বিয়ে করতেই হবে। নির্দেশ অমান্য করলেই মিলবে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। এমনকী কোনো স্ত্রী যদি তার স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দেন, শাস্তি হবে তারও।

এমনই নির্দেশ জারি করেছে ইরিত্রিয়া সরকার। গণমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমতো ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সরকারের আদেশে লেখা আছে, ‘বহুগামিতা নিয়ে ঈশ্বরের আইন মেনে, এবং দেশে পুরুষ কমে যাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ইরিত্রিয়া সরকারের ধর্ম সংক্রান্ত দপ্তর এই সিদ্ধান্তগুলি নিয়েছে-

প্রথমত, প্রত্যেক পুরুষ অন্তত দু’জন মহিলাকে বিয়ে করবেন এবং যে পুরুষ তা করতে অস্বীকার করবেন তাকে কঠোর পরিশ্রমসহ যাবজ্জীবন কারাবাস করতে হবে।

‘যে মহিলা তার স্বামীকে আবার বিয়ে করতে বাধা দেবেন তাকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে।’

আফ্রিকার ছোট্ট দেশ ইরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি, এক দিকে লোহিত সাগর।

ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন ইরিত্রিয়ার জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে। এর পর ১৯৯৮ থেকে ২০০০ পর্যন্ত দু’বছর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলে ইথিওপিয়ার সঙ্গে। যুদ্ধে মারা পড়েছিলেন বহু পুরুষ। সেই থেকেই দেশে নারীর অনুপাতে বেশ কমে যায় পুরুষের সংখ্যা। এই নারী-পুরুষ অনুপাতের যুক্তি দেখিয়েই নাকি সম্প্রতি জারি হয়েছে এই অদ্ভুত নির্দেশ।

ইরিত্রিয়ার জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক খ্রিস্টান আর বাকি অর্ধেক মুসলিম ধর্মাবলম্বী।

এবার ঋণ নিতে হলে বন্ধক রাখতে হবে নগ্ন ছবি!

এবার  ঋণ নিতে হলে বন্ধক রাখতে হবে নগ্ন ছবি!
                                        ঋণ নিতে হলে বন্ধক রাখতে হবে নগ্ন ছবি!
চীনের ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ নিতে গিয়েছিলেন কলেজ পড়ুয়া কিছু ছাত্রী। বন্ধক হিসেবে কোনো জমি-সম্পত্তি বা অন্য কিছু না চাইলেও প্রতিষ্ঠানটি চাইলো ওই ছাত্রীদের এক কপি আইডি কার্ড এবং সে সঙ্গে তাদের নগ্ন কিছু ছবি!

চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা দৈনিক সাউদার্ন মেট্রোপলিস এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের একজন ৫৫ হাজার ইয়েন ঋণের আবেদন জানালে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রান্টার হিসেবে তার আইডি কার্ডের এক কপি ছবির সঙ্গে নগ্ন ছবি চাওয়া হয়।

ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হয়, ঋণগ্রহণকারী যদি ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম হন তাহলে তার এই নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। এরপরই ওই ছাত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালে বিষয়টি নজরে আসে কর্তৃপক্ষের।

খালি পেটে থাকলে কি হয়?

খালি পেটে থাকলে কি হয়?
 খালি পেটে থাকলে কি হয়?
 কোনো ব্যক্তি ক্ষুধার্ত থাকলে তিনি কয়েক মুহূর্তের জন্য যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এত গেল খালি পেটে থাকার একটি মাত্র অপকারিতার কথা। কিন্তু আপনি কি জানেন, যে এর বাইরেও ক্ষুধার্ত থাকার একাধিক অপকারিতা রয়েছে যা শরীরে প্রভাব ফেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। খালি পেট আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঘ্রেলিন নামের এক হরমোন এর জন্য দায়ী। গবেষণায় বলা হচ্ছে ক্ষুধা বৃদ্ধিকারী হরমোন কোনো কোনো সময় আপনাকে আবেগপ্রবণ করে তুলতে পারে।

আসুন জেনে নেই খালি পেটে বেশিক্ষণ থাকার কি কি সমস্যা হয় –

১।খাবার থেকে নিজেকে যত দুরে সরিয়ে রাখবেন তত বেশি খাবারের প্রতি লোভ বেড়ে যায়। আর তার ফলেই অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, বেশি খাওয়া এই ধরনের নানা সমস্যা হতে পারে। যা শরীরকে দীর্ঘকালে ভয়ঙ্করভাবে প্রভাবিত করে।

২। শরীর যদি খাবার না পায় তাহলে শরীরের প্রয়োজন অপূর্ণ রয়ে যায়। ফলে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, আচমকা ব্ল্যাক আউট, মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে।

৩। নিয়মিত বিরতিতে না খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ প্রভাবিত হতে পারে। আর রক্তের শর্করার পরিমান ওঠানামা করা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

৪। নির্দিষ্ট সময় পরে পরে না খেলে শরীরের এনার্জি কমতে শুরু করে। এর ফলে ঘুম ঘুম ভাব, ক্লান্তি, দুর্বল লাগা প্রভৃতি সমস্যা হতে পারে।

৫। খাবারের অভাবে আপনার কোনও নির্দিষ্ট কাজে মনোনিবেশের ক্ষমতা কমে যেতে পারে। মাথায় খালি খাবার সংক্রান্ত চিন্তাভাবনা হতে পারে।

৬। খাবারের অভাবে শরীরে এনার্জি থাকবে না। ফলে আপনার উৎপাদন ক্ষমতা কমবে। ধীরে ধীরে আপনার শরীরও ভিতর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৭। শরীর ক্রমশ না খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে এবং শরীরে মেদ জমতে শুরু করবে। তাই কখনও খালি পেটে থাকবেন না।

বিয়ের জন্য কোন জেলার মেয়েরা বউ হিসেবে কেমন ?

বিয়ের জন্য কোন জেলার মেয়েরা বউ হিসেবে কেমন ?
                              
                                
                                 বিয়ের জন্য কোন জেলার মেয়েরা বউ হিসেবে কেমন ?


 আপনারা যারা বিবাহযোগ্য মানে, যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে, এখন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের জন্য অনেক গবেষণা করে আমি এই পোস্ট তৈরী করেছি। বিভিন্ন পরিচিত জন, এর আগের পোস্টে বিভিন্ন জনের অভিমত, আমার নিজের দেখা সব মিলিয়ে বিয়ে করার জন্য জেলা ভিত্তিক মেয়েরা কেমন হয়, সেটা নিয়েই আজকের লেখা ।

১//যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা।

২//চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলাদের ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।

৩//সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া।

৪//পুরার ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি

৫//খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত প্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয় ৷

৬//উত্তর বঙের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ ।

৭//বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে।

৮//ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ।কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং

৯// সিরাজগন্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান।

১০// বগুড়ার মেয়েরা ঝাল।

১১।// কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই।

১২//বি বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী

১৩// রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ ।

১৪//পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।

১৫// জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।

১৬//নোয়াখালী: বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই । বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না । এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!

১৭// ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।

১৮//কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।

১৯//টাংগাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। .এ অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাত… তবে বান্ধবী হিসাবে ভালু..একটু দিলখোলা টাইপের।

২০//মাদারিপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ।

২১//চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ।তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ।

২২//দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়।

২৩//চাপাই নবাবগঞ্জের মানুষ সরল মনের অধিকারী।

২৪//গাজীপুরের মেয়েরা খুব ই ভাল, মিশুক এবং রসিক ।এখাঙ্কার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।

২৫// নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং ।

২৬//কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না।

২৭// নারায়নগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন য়ার সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়নগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।… কথা ১০০% সত্যি। খোজ নিয়ে দেখতে পারেন।

যে প্রশ্ন ভুলেও করবেন না মেয়েদের

যে প্রশ্ন ভুলেও করবেন না মেয়েদের



                                                  যে প্রশ্ন ভুলেও করবেন না মেয়েদের

  কিছু ক্ষেত্রে মেয়েরা ভীষণই আবেগপ্রবণ। তাঁদেরকে ঘিরে কিছু প্রশ্ন তাঁরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

১) এত সুন্দর তুমি, তা সত্ত্বেও সিঙ্গল কেন?
১৮ বছরে পা দেওয়া মানেই কি সিঙ্গল থেকে মিঙ্গল হয়ে যাওয়া নাকি। সে কাকে, কখন পছন্দ করবেন সেটা সম্পূর্ণ মেয়েটির উপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত।

২) সুখবরটা কবে দিচ্ছেন?
মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেল তো পরিবারের একটাই প্রশ্ন বাচ্চা কবে হবে। এরকম আকছাড় হয়। আর এই প্রশ্নটা শুনতে মেয়েরা মোটেই পছন্দ করেন না।

৩) মেক আপের বদলে একটু কাজে মন দিলে ভাল হয়
কতটা সময় তাঁরা মেক আপ-এ দেবেন আর কতটা সময় পড়াশোনা বা সংসারের কাজে লাগাবেন তা তাঁদেরকে ঠিক করতে দিলেই তো হয় বাপু! এসব করেও তো মেয়েরা ঘর এবং বাইরে সবই সমান তালে সামলাচ্ছেন।
৪) মেয়ের বিয়ে কবে দিচ্ছেন?

২০ পেরলেই কি মেয়েরা বুড়ি হয়ে যায়? মা-বাবা তো বটেই, মেয়ের বিয়ে নিয়ে এমনকী পাড়া-পড়শিদেরও যেন রাতের ঘুম চলে যাওয়ার জোগাড়। এ প্রশ্নও মেয়েরা মোটেই ভাল ভাবে নেন না।

৫) এরকম পোশাক পরেছো কেন?
পোশাক নিয়ে বিতর্ক তো কম হয়নি। সাধারণ মেয়ে তো দূরের কথা, পোশাক বিতর্ক থেকে ছাড় পান না ছেলেরাও ।