Showing posts with label জীবনধারা. Show all posts
Showing posts with label জীবনধারা. Show all posts

প্রথমআলাপেই যে কোনও মেয়ের মন জয় করতে ৬টি টিপস

প্রথমআলাপেই যে কোনও মেয়ের মন জয় করতে ৬টি টিপস
Jakir Hossain
প্রথমআলাপেই যে কোনও মেয়ের মন জয় করতে ৬টি টিপস

 কতবার এরকমটা হয়েছে, বাসে বা রাস্তায়, কলেজে অথবা রেঁস্তোরায় কোনও মেয়েকে দেখে ভাল লেগে গিয়েছে। ইচ্ছে হয়েছে আলাপ জমানোর। কিন্তু কিছুতেই ভেবে পাননি যে, তার সঙ্গে আলাপ জমাবেন কীভাবে। এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়তো সঞ্চয় করলেন, কিন্তু প্রথম কথা বলতে গিয়ে পুরো ব্যাপারটাই ঘেঁটে গেল। এরকম পরিস্থিতিতে আপনার কী করা উচিৎ? কোনটাই বা উচিৎ নয়? রইল ৬টি টিপস-

১. আলাপ জমানোর বহুল ব্যবহৃত লাই‌নগুলো বাদ দিন:
‘তোমাকে কোথায় যেন দেখেছি আগে’, ‘আমার মোবাইলটা হারিয়ে ফেলেছি, তোমার ফোন থেকে একটা মিসড কল দেবে, প্লিজ’— মেয়েদের সঙ্গে আলাপ জমানোর জন্য মান্ধাতার আমল থেকে চলে আসা এই লাইনগুলো যে কোনও মেয়েই জীবনে হাজার বার শুনেছে। কাজেই ওই একই কথা তাকে আরও একবার শুনিয়ে তার বিরক্তি আর বাড়াবেন না। বরং নতুন কিছু ভাবুন।

২. ওভারস্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না:
কোনও কিছুই অতিরিক্ত হওয়া ভাল নয়, এমনকী স্মার্টনেসও। কোনও মেয়ের সঙ্গে আলাপ জমানোর সময়ে এই বিষয়টি মাথায় রাখুন। মনে রাখবেন, আলাপ জমানোর জন্য কথাবার্তা তার সঙ্গে গভীরতর সম্পর্ক তৈরি করার প্রথম ধাপ মাত্র। তাই তার সঙ্গে বলা প্রথম দু’একটা কথাতেই তার হৃদয়ের একেবারে বেতাজ বাদশা হয়ে বসবেন বলে যদি ভাবেন, তাহলে সেটা বাড়াবাড়ি হবে। কাজেই ‘আমি কি তোমার ফোন নাম্বারটা পেতে পারি?’ জাতীয় প্রশ্ন দিয়ে কথা শুরু করতে যাবেন না। বরং ‘তোমার হাতে ওই বইটা কি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা?’-র মতো প্রশ্ন অনেক বেশি কার্যকর।

৩. এমন কোনও কথা বলুন যেটা সেই পরিবেশে একদম স্বাভাবিক বলে মনে হয়:
কথা শুরু করুন এমন কোনও বিষয়কে কেন্দ্র করে যেটা সেই পরিবেশে একদম স্বাভাবিক বলে মনে হয়। যখন কোনও রেস্তোঁরায় বসে কথা বলছেন কোনও মেয়ের সঙ্গে তখন বলতে পারেন, ‘এখানে আগে কখনও খাইনি, কোন খাবারটা এখানে ভাল হবে বলতে পার?’। বা কোনও বইয়ের দোকানে কোনও মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলুন, ‘আচ্ছা, যদি কিছু মনে না করো, আমার বোন পড়ে ক্লাস টেনে, ও ক্রাইম থ্রিলারের খুব ভক্ত। আমি তো বইয়ের তেমন খোঁজখবর রাখি না। বোনের জন্মদিনে কী উপহার দেব, কিছু সাজেস্ট করতে পারো?’

৪. এমন কোনও প্রশ্ন করুন যার উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-তে দেওয়া সম্ভব নয়:
কোনও বাসে কোনও মেয়ের সঙ্গে আলাপ জমাতে গিয়ে যদি জিজ্ঞাসা করেন, ‘আচ্ছা, এই বাসটা কি ধানমন্ডি যাবে?’, তাহলে সে ‘হ্যাঁ’, ‘না’, অথবা ‘জানি না’ জাতীয় কোনও উত্তর দিয়ে চুপ করে যাবে। সেক্ষেত্রে তারপর তার সঙ্গে কথা এগোনো কঠিন হবে। বরং এমন বলা উচিত এদিকের রাস্তাঘাট ভাল চিনি না। ধানমন্ডি কীভাবে যাব একটু বলতে পারো?’’

৫. ভদ্রতা বজায় রাখুন:
ভদ্রতা আর শালীনতার সীমা অতিক্রম করে কোনওদিন কোনও মেয়েকে ইমপ্রেস করা যায় না। কাজেই আপাদমস্তক ভদ্রতা রেখেই তার সঙ্গে কথা বলুন। মেয়েদের ওড়না টেনে ধরে তার সঙ্গে আলাপ জমিয়ে তার মন জয় করার মতো উদ্ভট ঘটনা সিনেমায় ঘটতে পারে, বাস্তবে ঘটে না।

৬. অন্য কোনও উদ্দেশ্য মাথায় রাখবেন না:
যখন কোনও মেয়ের সঙ্গে প্রথম কথা বলছেন তখন সেই আলাপকে প্রাথমিকভাবে একটা বন্ধুত্বের প্রথম ধাপ বলেই ভাবুন। তারপর সেই সম্পর্ক নিজের ছন্দে যেদিকে এগোয় এগোতে দিন। কিন্তু প্রথম আলাপের সময়েই যদি ভাবেন, ‘একদিন এই মেয়েকেই আমি আমার বউ করব’ বা এই জাতীয় কিছু, তাহলে কিন্তু আপনি স্বাভাবিকভাবে মিশতে পারবেন না তার সঙ্গে। কাজেই এই ধরনের ভাবনাকে প্রথমেই প্রশ্রয় দেবেন না। একেবারে খোলা মনে মিশুন।

*ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন?  
নারীদের বলা জনপ্রিয় ১৩টি মিথ্যা 

গোসলের সময় যে ভুল কখনও করবেন না

গোসলের সময় যে ভুল কখনও করবেন না
 গোসলের সময় যে ভুল কখনও করবেন না
আপনি কি নিজেকে ভীষণ পরিছন্ন ভাবেন ? পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার তাগিদে রোজ রোজ গোসল করেন বুঝি? বেশ সাবান মেখে, মাজনী দিয়ে ঘসে ঘসে? এ সব করে ভাবছেন বুঝি হেব্বি সাফসুতরো থাকা গেল? আসলে পুরোটাই ভুল ভাবছেন। জানেন কি রোজ রোজ গোসল করাটাও মোটের কাজের কথা নয়?

গোসল করার সময় যে ভুল গুলো আমরা প্রায়ই করি-

গোসলের সময় মুখ ধোয়া- গোসলের সময় মুখ ধুলে কিন্তু ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে ত্বক। গরম জলে ভুলেও মুখ ধোবেন না। সব সময় চেষ্টা করবেন আলাদা করে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধোওয়ার। ঠাণ্ডা জল মুখের ঔজ্জ্বল্য বাড়িয়ে তোলে।

পরিবেশ সম্পর্কে- অনেকে বাথ টবে বা মগ বালতি নিয়ে গোসল করার থেকে শাওয়ারের তলায় গোসল করার পরামর্শ দেন। তাঁদের যুক্তি শাওয়ারে গোসল করলে অনেক কম জল খরচ হয়। কিন্তু যারা খুব পিটপিটে হন তারা শাওয়ারেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা গোসল করে যান। ফলে জল খরচ কমার বদলে ঢের বেড়ে যায়।

রোজ গোসল করা- রোজ গোসল না করা মানেই আপনি অপরিচ্ছন্ন এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। আমাদের ত্বকে এমন অনেক ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে, যারা বেশ উপকারী। রোজ গোসল করলে সেই সব ব্যাকটেরিয়া মারা পড়ে। যার ফলে আখেরে ত্বকের বেশ ক্ষতি হয়। বাড়ে ইনফেকশনের সম্ভাবনাও।

মাজনী ব্যবহার- স্যাঁতস্যাঁতে ভেজা মাজনী আসলে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার আঁতুড়ঘর। অনেকটা ফার্টাইল পেট্রিডিশের মতো। যেখানে ব্যাকটেরিয়ারা বংশবিস্তার করে। যদি মাজনী ব্যবহারে আপনার আসক্তি থাকে তাহলে রোজ সেটা ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/92200/index.html#sthash.xcYN4uBt.dpuf

কারা বেশি পর্ন সিনেমা দেখেন, নারী নাকি পুরুষ?

কারা বেশি পর্ন সিনেমা দেখেন, নারী নাকি পুরুষ?
 কারা বেশি পর্ন সিনেমা দেখেন, নারী নাকি পুরুষ?

 নারী নাকি পুরুষ, কারা বেশি পর্ন সিনেমা দেখেন? এ নিয়ে গুটিকয়েক গবেষণা হয়েছে। তবে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিয়ের পর নারীরা এ-কাজে এগিয়ে যান। তখন পুরুষরা পর্ন দেখার অভ্যাস অনেক কমিয়ে আনেন।
গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা শতাধিক বিবাহিত নারী-পুরুষের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তারা দেখেন, বিয়ের আগে ও পরে কিভাবে যৌনতার প্রতি নারী-পুরুষের আগ্রহ বদলায়। দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী নারীদের ৯ শতাংশ বিয়ের আগে পর্ন সিনমো দেখতেন। কিন্তু বিয়ের পর তাদের ২৮ শতাংশের পর্ন দেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

আর পুরুষদের ২৩ শতাংশ বিয়ের আগে পর্ন দেখতেন। অথচ বিয়ের পর এ সংখ্যা ১৪ শতাংশে নেমে আসে। সেক্সোলজিস জার্নালে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের পর পর্ন সিনেমা দেখার প্রবণতা নারীদের মধ্যে বৃদ্ধি পায়। আর পুরুষদের মধ্যে কমে আসে। আবার পর্ন দেখার বিষয়টি যৌন আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটায়।

অর্থাৎ, বিয়ের পর নারীরা যৌনজীবনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং সন্তানধারণের প্রস্তুতি নেন। কিন্তু ছেলেরা সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠার দিকে নজর দেন। আরেক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, বিয়ের পর নারীদের আর পর্ন দেখার ক্ষেত্রে মানসিক ও নৈতিক বাধা থাকে না। এ সময় অন্যদের কাছে ধরা পড়ার ভয় থাকে না।
কিন্তু বিয়ের আগে ছেলের এ ধরনের সমস্যা থাকে না। কিন্তু বিয়ের আগে মেয়েদের ক্ষেত্রে তা বেশ লজ্জাজনক হয়ে ওঠে। আবার এভাবে চিন্তা করা হয়েছে যে, পর্ন সিনেমা দেখার এ-প্রবণতা বিয়ের ওপর নির্ভর করে নয়, বরং বয়সের পরিবর্তনে দেখা দেয়।

বিয়ের পর নারী-পুরুষের যৌন চাহিদার বিষয়টিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, ১৩ শতাংশ পুরুষ ও ১২ শতাংশ নারী স্বাভাবিক উপায়ের যৌনকর্মকেই বেছে নেন। এ ছাড়া ৫ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী যৌনতৃপ্তি পেতে কল্পনার আশ্রয় নেন।

প্রথমআলাপেই যে কোনও মেয়ের মন জয় করতে ৬টি টিপস

মেয়েরা বাড়িতে একা থাকলে যা করে!

মেয়েরা বাড়িতে একা থাকলে যা করে!
 মেয়েরা বাড়িতে একা থাকলে যা করে!
বাড়িতে একা থাকার মজাই আলাদা। এই একা থাকা মানে অবশ্য কোনও বাড়িতে একেবারে একা একা বাস করা নয়। বরং বাড়ির বা পরিবারের অন্য সদস্যরা চলে গেলে যে একাকীত্ব আসে এ হল সেই একা। এ এক আশ্চর্য স্বাধীনতা, নিষিদ্ধ আনন্দ প্রায়। এরকম একাকীত্ব রোজ রোজ আসে না। যখন আসে, তখন তার সবটুকু রস নিংড়ে নিতে হয়। কীভাবে এই একাকীত্ব উপভোগ করে মেয়েরা? কী করে তারা যখন বাড়িতে তারা একা থাকে? ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলা এমন খবর প্রকাশ করেছে।

১. প্রথম কিছুক্ষণ ভয় পায় অথবা মন খারাপ করে:

মেয়েরা একা থাকতে হলে প্রথমে কিছুক্ষণ ভয় পেয়ে নেয়, বিশেষ করে যদি সেই একাকীত্ব আসে সন্ধেবেলা। ভয় পাওয়ার সঙ্গত কোনও কারণ থাকে না বেশিরভাগ সময়েই। ভয়টাও অধিকাংশ সময়েই হয় অলৌকিক ধরনের— ভূতের ভয়, প্রেতের ভয়, জুজুর ভয়, খোক্কসের ভয়। এই ভয়ের চোটে গুটিসুটি মেরে কাটে কিছুক্ষণ। কিছু দুঃখবিলাসী মেয়ে আবার এই সুযোগে ‘দুনিয়ায় আমার আপনজন কেউ নেই গো, নাহলে নিষ্ঠুর মানুষগুলো পারত এভাবে আমাকে একা রেখে যেতে?...’ গোছের ঘ্যানঘ্যানে ভাবনা ভেবে মন-টন খারাপ করে কিছুক্ষণ।

২. দীর্ঘ সময় নিয়ে গোসল:

‘তাড়াতাড়ি গোসল সেরে নে রে...’ বলে তাড়া দেওয়ার কেউ নেই বাড়িতে। কাজেই যতক্ষণ খুশি সময় নিয়ে শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়ে থাকা যায়। স্নান করতে করতে গান, নাচন-কোঁদন— বাধা নেই কিছুতেই। সময়টা কোনও ফ্যাক্টরই নয়। চিৎকার করে গান গাইলেও সেই গান শোনার, এবং শুনে হাসার নে‌ই কেউ।

৩. তোয়ালে জড়িয়ে বাথরুম থেকে বেরনো:

এ এমন এক কাজ, যা বাড়িতে অন্য কেউ থাকলে করা কিঞ্চিৎ চাপের। কিন্তু বাড়িতে কেউ না থাকলে তো দেখার নেই কেউ। এমনকী বাথরুমের বাইরে বেরিয়ে ঘরের মধ্যে জামাকাপড় বদলালেই বা কে দেখতে যাচ্ছে?

৪. রান্নাবান্না, খাওয়া-দাওয়া:

বাড়িতে মা থাকলে রান্নাঘরে ঢোকার পথেও বাধা পড়ে। ‘‘না না, তোর আবার কী দরকার...’’ রান্নাঘরে ঢুকতে গেলেই মায়ের এহেন মন্তব্য মনোবল ভেঙে দেয় অনেকখানি। কিন্তু ফাঁকা বাড়িতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। ফলে রান্নাবান্না নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট, এবং নিশ্চিন্তে খাওয়াদাওয়ার পথ প্রশস্ত।

৫. আয়নার সামনে বহুক্ষণ ধরে সাজগোজ:

বাড়িতে অন্য কেউ থাকলে এই কাজেও বাধা পড়ে। ‘কী আছে এত সাজগোজের?’‘তোমার মেয়ের তো সারাক্ষণ খালি মেকআপ...’ বাবা-মা-দাদা-দিদিদের এহেন বাঁকা মন্তব্য ভেসে আসবেই। কিন্তু বাড়ি ফাঁকা থাকলে সেই ভয় নেই একেবারেই।

৬. নাচগান:

খাওয়াদাওয়া হয়ে গেলে তারস্বরে গান চালিয়ে যথেচ্ছ নাচনকোদনের পথও একেবারে উন্মুক্ত। কাজেই বাড়িতে কেউ না থাকলে মেয়েরা সেই কাজটি মনের আনন্দে করে থাকে।

বাংলাদেশের কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশী প্রেম করে?

বাংলাদেশের কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশী প্রেম করে?
বাংলাদেশের কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশী প্রেম করে?
আজকের এই কলামে মূলত দুটি বিষয় আলোচনা করবো,তবে এখানে দ্বিতীয় বিষয়টি পুর্বে একবার আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি তাই দ্বিতীয় বিষয়টি কোন রুপ পরিবর্তন না করে সরাসরি আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।

প্রথম পর্বঃ আজকের আলোচনার মুল বিষয় বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ভিতরে কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশী সম্পর্ক করে। এটি আসলে খুব নিশ্চিত করে বলা মুশকিল তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার তথ্যের ভিক্তিতে এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ দিন গবেষণা করে কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য উপস্থাপন করছি ।

ঢাকার অদূরেই শীতলক্ষ্যা নদীর পাশ্ববর্তী অঞ্চল দিয়ে নারায়ণগঞ্জ অবস্থিত,ভৌগলিক কাঠামোর দিক থেকে এবং প্রাচীন ঐতিহ্যে বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের ভিতরে খুবই তাত্পর্যপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। নারায়ণগঞ্জের চোদ্দ থেকে আঠারো বয়সী মেয়েদের ভিতরে শতকরা ৪২ জন মেয়ে ছেলেদের সাথে সম্পর্ক তৈরিতে বেশ আগ্রহী এবং উনিশ থেকে সাতাশ বছর বয়সে মেয়েরা শতকরা ৩৮ জন মেয়ে সম্পর্ক করার জন্য আদাজল খেয়ে লাগে,আর আঠাশ থেকে চুয়াল্লিশ বছর মহিলাদের ভিতরে শতকরা ২0 জন মহিলা পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন । তবে নারায়ণগঞ্জ শহরের মেয়েদের ভিতরে এই প্রবনতা গুলো অনেক ক্ষেত্রে বেশী কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো নারায়ণগঞ্জ শহরে বসবাসকারী শতকরা ৫৬ ভাগ লোকজনই বাইরের অঞ্চল থেকে আগত ।

ছেলেদের সাথে সম্পর্ক করার জন্য দ্বিতীয় ধাপে বেশ আগ্রহী আছে ঢাকা জেলার মেয়েরা তবে ঢাকা জেলা দ্বিতীয় ধাপে চলে এসেছে শুধুমাত্র কেরানীগঞ্জের মেয়েদের জন্য । কেরানীগঞ্জের চোদ্দ থেকে সাতাশ বছর বয়সী মেয়েদের ভিতরে শতকরা 28 জন মেয়ে সম্পর্ক করাই জন্য বেশ আগ্রহী । তৃতীয় এবং চতুর্থ ধাপে আছে যথাক্রমে গাজীপুর এবং মানিকগঞ্জ । গাজীপুর তৃতীয় ধাপে এসেছে শুধুমাত্র টংগীর কারনে এবং মানিকগঞ্জ আছেন ধামরাইয়ের জন্য । পঞ্চম অবস্থানে আছে নোয়াখালীর মেয়েরা এবং ছষ্ট অবস্থানে আছে চাদপুরের মেয়েরা । দ্বিতীয় পর্বঃ আপনারা যারা বিবাহযোগ্য মানে, যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে, এখন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের জন্য অনেক গবেষণা করে আমি এই পোস্ট তৈরী করেছি। বিভিন্ন পরিচিত জন, এর আগের পোস্টে বিভিন্ন জনের অভিমত, আমার নিজের দেখা সব মিলিয়ে বিয়ে করার জন্য জেলা ভিত্তিক মেয়েরা কেমন হয়, সেটা নিয়েই আজকের লেখা ।

১//যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা।
বিস্তারিত দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুনঃ

২//চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলাদের ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।

৩//সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া।

৪//পুরার ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি

৫//খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত প্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয় ৷

৬//উত্তর বঙের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ ।

৭//বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে।

৮//ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ।কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং

৯// সিরাজগন্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান।

১০// বগুড়ার মেয়েরা ঝাল।

১১।// কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই।

১২//বি বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী

১৩// রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ ।

১৪//পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।

১৫// জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।

১৬//নোয়াখালী: বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই । বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না । এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই! ১৭// ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।

১৮//কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।

১৯//টাংগাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। .এ অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাত… তবে বান্ধবী হিসাবে ভালু..একটু দিলখোলা টাইপের।

২০//মাদারিপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ।

২১//চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ।তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ।

২২//দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়।

২৩//চাপাই নবাবগঞ্জের মানুষ সরল মনের অধিকারী।

২৪//গাজীপুরের মেয়েরা খুব ই ভাল, মিশুক এবং রসিক ।এখাঙ্কার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।

২৫// নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং ।

২৬//কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না।

২৭// নারায়নগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন য়ার সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়নগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।…

কথা ১০০% সত্যি। খোজ নিয়ে দেখতে পারেন।

যে খাবারগুলো লম্বা হতে সাহায্য করে

যে খাবারগুলো লম্বা হতে সাহায্য করে
 যে খাবারগুলো লম্বা হতে সাহায্য করে
প্রথমেই বলে রাখা ভাল- লম্বা হওয়ার ব্যপারটা সম্পূর্ণ জেনেটিক ।একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মানবদেহের বৃদ্ধি ঘটে, বাড়ে আমাদের উচ্চতা । তবে এর সাথে অবশ্যই ব্যাপারটা নির্ভর করে খাওয়া দাওয়ার ওপর । পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক বৃদ্ধি ঘটে না দেহের । আবার এমন কিছু খাবার আছে, যারা দেহের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে । আসুন, আজ জেনে নিই এমন কিছু অসাধারণ খাবারের নাম, খাদ্য তালিকায় যারা স্থান পেলে বাড়বে দেহের উচ্চতাও-

আপেল: আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে । তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘন্টা আগে একটি করে আপেল খেতে দিন ।

আভাকাডো: দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা আভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে । এতে করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে ।

স্যুপ: স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা খিদে বাড়িয়ে দেয় । ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে ।
বিস্তারিত দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুনঃ

মটরশুটি, ছোলা, মুসুর: এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে । ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে ।

ডার্ক চকোলেট: বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেওয়া হয় না । কিন্তু ডার্ক চকোলেট বাচ্চাদের লম্বা করতে সহায়তা করে । এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে ।

ডিম: ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার । এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে । এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হ য়।

বাদাম: বাদাম বা কাজুবাদামও স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার । এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে ।