Showing posts with label সাজসজ্জা. Show all posts
Showing posts with label সাজসজ্জা. Show all posts

পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে কিছু টিপস

পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে কিছু টিপস
foot photo

 পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে কিছু টিপস
 গরম অথবা শীত অনেকেই পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা ভোগেন। এটি যেমন আপনার পায়ের সৌন্দর্য নষ্ট করে তেমনি আপনি অনায়াসে কোন জুতো জোড়া পরতে পারেন না। তবে ঘরোয়া কিছু টিপস আপনাকে অনায়াসে দিতে পারে এর থেকে মুক্তি। চলুন জেনে নেই উপায়সমূহ।

তিলের তেল:

কর্কশ গোড়ালি একটি সাধারণ সমস্যা কিন্তু তিলের তেল ব্যবহারে খুব সহজে এ থেকে আপনি রক্ষা পেয়ে যাবেন। বিছানায় যাবার আগে আপনার কর্কশ পায়ের উপর এটি প্রয়োগ করুন এবং পরের দিন থেকেই আপনি পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

গ্লিসারিন ও গোলাপ জল:

গ্লিসারিন এবং গোলাপ-জলের একটি মিশ্রণ তৈরি করুন এবং টানা ১৫ দিন আপনার পায়ে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। আপনি ফলাফল দেখে বিস্মিত হতে পারেন।

কলা:
পাকা কলা আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতেও খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে।
গলা ও ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়!
যে খাবারগুলো লম্বা হতে সাহায্য করে
যেসব খাবার উজ্জ্বল রাখবে ত্বকlপেটের মেদ কমাতে যা করবেন

যেসব খাবার উজ্জ্বল রাখবে ত্বক

যেসব খাবার উজ্জ্বল রাখবে ত্বক
Jakir Hossain
 যেসব খাবার উজ্জ্বল রাখবে ত্বক

ত্বকের যত্নে বা ত্বক আরও উজ্জ্বল করতে নানান ধরনের ফেইশল ও ফেইস প্যাক ব্যবহার করা হয়। তবে ত্বক ভিতর থেকে সুস্থ রাখা গেলে তা আরও বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সম্প্রতি একটি নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর করতে সাহায্য করে।

তেলজাতীয় মাছ

মাছে রয়েছে বাইয়োটিন, যা দ্রুত দ্রবণীয় ভিটামিন বি। বহু কাজের মধ্যে, এটা শরীরে উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে এবং অ্যামাইনো এসিড শরীরে শোষণে সহায়তা করে। আর অ্যামাইনো এসিড হল প্রোটিনের ভিত্তি। দেহ গঠনের মূলে রয়েছে প্রোটিন। তাই দেহ এবং ত্বকের সুস্থতার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চাই বীজ

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ত্বকের ভিতর থেকে নমনীয় করে তোলে। আর ফ্যাটি এসিডের আদর্শ উৎস হল চাই বীজ এবং আখরোট। যারা নিরামিষ খেতে পছন্দ করেন, তারা মাছের বদলে এ দু’টি খাবার খেয়ে ফ্যাটি এসিডের চাহিদ পুরণ করতে পারবেন।

মিষ্টি আলু

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখার জন্য আদর্শ। এটি শরীরে পানির প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ত্বকে আদ্রভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। মিষ্টি আলু ছাড়াও গাজর, পালংশাকের মতো গাঢ় রংয়ের ফলমূল এবং সবজি ত্বকের জন্য উপকারী।

কাজুবাদাম ও সূর্যমুখী ফুলের বীজ

ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান ভিটামিন ই। আর এই উপাদানে ভরপুর হল কাজুবাদাম এবং সূর্যমুখী ফুলের বীজ। তাছাড়া সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে ত্বকের ক্ষতি সারিয়ে তুলতেও দারুণ কাজ করে এই দুটি খাবার।

কমলার রস

ফলের রসের থেকে ফল খাওয়া ভালো। তবে কমলার রস ত্বক আদ্র রাখার পাশাপশি ভিটামিন সি-এর চাহিদাও পূরণ করে। ভিটামিন সি এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে যা ত্বক সুস্থ রাখে।

'কমপ্লেক্স' খাবার

প্রক্রিয়াজাত ও সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার ত্বকে প্রদাহ তৈরির পাশাপাশি ফুসকুড়িও তৈরি করতে পারে। তাই পাস্তা ও সাদা ভাতের পরিবর্তে বিভিন্ন রকম 'কমপ্লেক্স' খাবার, যেমন: যব, মটরশুঁটি-শিম এবং লাল চালের ভাত খাওয়ার অভ্যেস করুন। তাছাড়া এসব খাবারে শর্করার পরিমাণও কম

কেমন হবে ঈদের দিনের সাজ

কেমন হবে ঈদের দিনের সাজ
jakir hossain
 কেমন হবে ঈদের দিনের সাজ

ঈদ মানেই আনন্দ আর এই আনন্দ এর দিনে সবাই একটু সাজতে চান কিন্ত কিভাবে সাজবেন।আজকের আলোচনা হবে কিভাবে সাজবেন ঈদের দিনে। একটু সময় নিয়ে ঈদের দিনে বেরিয়ে পড়ুন বাইরে আর নিজেকে উপস্থাপন করুন অনন্য ভাবে।

সকালের সাজ:
ঈদের দিনে সকালে একটু কাজের চাপ বেশি থাকে তাই একটু হালকা ধরনের পোশাক পরূন যেন স্বাভাবিক ভাবেই সব কাজ করতে পারেন। এ সময় হালকা লিপিষ্টিক ,ফেসপাউডার ও সাথে মানান করে একটি টিপও পরতে পারেন।
দূপুরের সাজ:
গরমের সময় ঈদে দূপুরে বাড়িতেই অবস্থান করূন কারন এতে করে ক্লান্তি কম হবে । এ সময় হালকা রংয়ের পোশাক পরূন।ঠোট লিপগ্লাসও চোখে আই লাইনার ব্যাবহার করতে পারেন।পোশাকের সাথে মিলিয়ে হালকা গহনা পরূন।
রাতের সাজ:

বাইরে গেলে শাড়ি পরূন কারন শাড়িতে বাঙালাী নারীকে খুব ভাল মানায়।মূখে গলায় কম্প্যাক্ট পাউডার ব্যাবহার করূন।ঠোটে লিপিষ্টিক ,চোখ আইলাইনার হাতে হাত ভর্তি চুড়ি পরতে পারেন। গলায় ও কানে হালকা গহনা পরতে পারেন।কুমকুম ব্যাবহার করে কপালে বড় টিপ  দিতে  পারেন।

গলা ও ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়!

গলা ও ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়!








গলা ও ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জাদুকরী উপায়!
প্রচণ্ড গরমের কারণে বর্তমান সময়ে আমাদের শরীর থেকে অনেক বেশি ঘাম নির্গত হয়। সাথে সাথে অনেক বিষাক্ত পদার্থ আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। আমাদের শরীরের যে সকল স্থান থেকে ঘাম বেশি নির্গত হয় সে সকল স্থান খুব সহজে কালো হয়ে যায়। ঘাড়ও তেমনি একটি স্থান।

অনেকের ঘাড় খুব কালো দেখা যায়। এতে তাদের সৌন্দর্যে ভাটা পরে। তবে আপনি ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজে এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পেটে পারেন। নিম্নে কিছু কৌশল আলোচনা করা হল-

১. পাকা পেঁপে, তরমুজের রস, শশার রস একত্রে মিশিয়ে ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর তা ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে আর দাগ থাকবে না।

২. দাগ যদি ছোপ ছোপ হয় তবে ছাকা ময়দা আর মধু পানি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে লাগান। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ হালকা ম্যাসেজ করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এক দিন পর পর এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন।

৩. এছাড়াও দাগের জন্য টক দই, চিনি, লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ঘাড়ে নিয়মিত লাগালে দাগ ধীরে ধীরে চলে যাবে।

৪. চন্দন, মুলতানি মাটি ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়েও প্যাক তৈরি করে গলায় ও ঘাড়ে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে দাগ চলে যাবে।

এছাড়াও কিছু টিপস অবলম্বন করতে হবে আপনার। তা হল-

* সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করুন।
* অনেকের সিনথেটিক পোশাকে অ্যালার্জি সমস্যা হয়। তাঁরা এ ধরনের পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন।
* রোদে গেলে ছাতা ব্যাবহার করুন।
* সরাসরি রোদে বের হলে সানব্লক ব্যবহার করুন।
* অ্যালকোহল জাতীয় বডি স্প্রে কম ব্যবহার করাই ভালো।
* দীর্ঘক্ষণ ঘাড় কুঁজো করে বসে কাজ করবে

মেক-আপ করছেন? জেনে নিন ক্ষতিকর দিকগুলো

মেক-আপ করছেন? জেনে নিন ক্ষতিকর দিকগুলো
মেক-আপ করছেন? জেনে নিন ক্ষতিকর দিকগুলো

মানুষ সবসময়েই চায় নিজেকে সবার চোখে আরেকটু সুন্দর আর ছিমছামভাবে উপস্থাপন করতে। আর সেজন্যেই মানুষের এই মনোভাবকে পুঁজি করেই বাজারে ছেঁয়ে গিয়েছে নানারকম আর নানা কাজের বিভিন্ন প্রসাধনীতে। ছোট থেকে বয়ষ্ক কে না ব্যবহার করে এইসব সৌন্দর্যবৃদ্ধির কৃত্রিম উপায়? এছাড়াও, এসব প্রসাধনী শুধু যে আমাদের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে তাই নয়। আমাদের ত্বককেও করে তোলে অনেকটা কোমল, মসৃন আর সময়োপযোগী। কিন্তু এতরকমের গুণাবলী থাকা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে এসব মেক-আপ পণ্যগুলোর ব্যবহার থেকে সবারই দূরে চলে আসা উচিত।
কিন্তু কেন? জেনে নেয়া যাক সেই কারণগুলো।

দৃঢ়তা
প্রসাধনীর ব্যবহার আপনাকে ক্রমশ নিজে ওপরে থাকা আত্ববিশ্বাস আর দৃঢ়তাকে সরিয়ে ফেলে সেখানে এক ধরনের অসহায় ভাবকে ফুটিয়ে তোলে। কারন আপনি জানেন যে আপনার সমস্ত চেহারার অনেকটাই কিছু পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। আপনার মনে তখন এক ধরনের অনুভূতি কাজ করতে শুরু করে যে প্রসাধনীগুলো ছাড়া আপনি আসলে কিছুই নন। কিন্তু আসলেই তাই কি? ঝেড়ে ফেলুন নিজের জীব্ন থেকে মেক-আপ শব্দটাকে আর নিজের যা আছে সেটার ওপরেই বিশ্বাস গড়ে তুলুন।

টাকা
এ কথাটা না বললেই নয় যে বিশ্বের প্রতিটি নারী-পুরুষই কোটি কোটি ডলার খরচ করেন কেবল প্রসাধনীর জন্যে। আপনি নিজেরও কি সেখানে খুব একটা কম অবদান রয়েছে? যে টাকাগুলো আপনি প্রসাধনীর পেছনে খরচ করছেন সেগুলো দিয়ে মৌসুমী ফল কিনে খান। এতে আপনার ত্বক এমনিতেই ভালো থাকবে। প্রচুর পানি খান। আর কিছু না হলে জমিয়ে রাখুন টাকাগুলো। কিছুদিন পরে নিজেকে কোন উপহার দিন।

ত্বক
সৌন্দর্যকে ঠিকঠাক রাখার এই প্রসাধনীগুলোর ব্যবহার আপনার ত্বককে কিছুটা সময়ের জন্যে ভালো দেখায় বটে, কিন্তু এর কিছু স্থায়ী নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। আর সেটাও কিন্তু ভবিষ্যতে ভুগতে হবে আপনাকেই। প্রসাধনীগুলো তৈরিতে ব্যবহৃত নানা রকমের রাসায়নিক পদার্থ খুব সহজেই আপনার ত্বকের সজীবতা আর ত্বকের কোষগুলোর নষ্ট হয়ে যাওয়াকে ত্বরান্বিত করে। আর তাই সৌন্দর্যবৃদ্ধির এই উপকরণগুলো থেকে দূরে থাকলে আপনার ত্বকই ধন্যবাদ জানাবে আপনাকে প্রথমে।

সময়
এক গবেষনায় পাওয়া যায় যে সারা বিশ্বে নারীরা কেবল মেক-আপ করার জন্যেই ৪৭৪ দিন ব্যয় করে থাকেন। অদ্ভূত হলেও শুনতে সত্যি এই তথ্যটি বারবার সবাইকে যেন ছোটবেলায় পড়া সময়ের মূল্য রচনাটির কথাই মনে করিয়ে দেয়। সত্যিই তো! প্রতিদিন ঠিক কতটা সময় প্রসাধনীর পেছনে খরচ করছেন আপনি সেটা কি হিসেবে রাখছেন? সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে, সারাদিন নানা কাজের ফাঁকে বেশ কয়েকবার, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেতো রয়েছেই, এছাড়াও আছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপলক্ষ্য। আর তাই প্রসাধনীর ব্যবহার বন্ধ করলে আপনার ত্বকই নয়, এতগুলো সময়ও বেঁচে যায়।

মানসিক সুস্থতা
কেন আপনি প্রসাধনী ব্যবহার করেন? চেহারার অসামঞ্জস্যতা ঢাকবার জন্যেই তো? ভাবুন তো, কয়দিন এমন হয়েছে যে আপনি মেক-আপ করে আপনার সূক্ষ ত্রুটিগুলোকে ঢেকে দিয়ে সবার সামনে হাসিমুখে কথা বলেছেন আর আপনার মাথায় সবসময়ই এই ভয়টা কাজ করেনি যে- মেক-আপটা ঠিকঠাক আছে তো? মুখের দাগটা সবার চোখে পড়ে যায়নি তো? ভেবে দেখুন। কখনোই হয়নি। আর এই সারাটাক্ষণের অস্বাভাবিক মানসিক অস্থিরতা আপনার মানসিক সুস্থতার পথেও বাঁধা হয়ে দাড়ায়। খোলা মনে কোন কিছু করা, বিশেষ করে বৃষ্টিতে বন্ধুদের সাথে হঠাত্ করে ভিজতে যাওয়া আপনার পক্ষে কখনোই সম্ভবপর হয়না। তাই মেক-আপ করা ছেড়ে দিন। নিজের মানসিক সুস্থতাকে নিশ্চিত করুন।

ভালোবাসা
অনেকেই বলে থাকেন যে - মেক-আপ করলে নিজেকে আরো সুন্দর বলে মনে হয়। অনেকের ভালোবাসা পাওয়া যায়। কথাটা কিন্তু একদমই ভুল। আপনার মেক-আপ করা মুখকে তারা কখনোই প্রাধান্য দেবে না যারা আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে। আর যারা প্রাধান্য দেবে তারা কখনোই আপনাকে ভালোবাসেনি। বরং আপনার ত্রুটিগুলোকে যে বা যারা ভালোবাসবে তারাই আপনার প্রকৃত কাছের মানুষ। মেক-আপ করে তাই অযথাই জীবনের পথে কিছু আগাছাকে তুলে আনবেন না।

জাপানি মেয়েরা কেন মোটা হয় না?

জাপানি মেয়েরা কেন মোটা হয় না?
 জাপানি মেয়েরা কেন মোটা হয় না?
সুস্থভাবে বেশিদিন বেঁচে থাকতে কে না চায়? আপনি কি জানেন, গত ২৫ বছর ধরে জাপানি মেয়েরা দীর্ঘায়ু হওয়ার রেকর্ড ধরে রেখেছে? গড়ে তারা ৮৬ বছরের বেশি বাঁচে। নাওমি মোরিইয়ামা তাঁর ‘জাপানিজ ওমেন ডোন্ট গেট ওল্ড অর ফ্যাট’ বইয়ে লিখেছেন কেন জাপানে মেয়েরা সহজে বুড়ো হয় না এবং কেন তারা কখনো মোটা হয় না। নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যকর খাবারই জাপানি মেয়েদের কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

নাওমি মোরিইয়ামার বই থেকে কেয়ার টু ওয়েবসাইটে জাপানের মেয়েদের বেশিদিন বাঁচার ১০টি রহস্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।

১. জাপানের মেয়েরা প্রতিদিন প্রায় একই ধরনের খাবার খায়। তাদের খাবারের তালিকায় ভাত, মাছ, সামুদ্রিক শৈবাল, সবজি, সয়া, ফল ও গ্রিন টি থাকে। এগুলোতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, যা তাদের শরীরকে সুস্থ রাখে এবং শরীর মেদমুক্ত রাখে।

২. নিয়মিত বাসায় রান্না করা খাবার খেতে পছন্দ করে জাপানের মেয়েরা। তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মেনু- গ্রিলড ফিশ, এক বাটি ভাত, সেদ্ধ সবজি, সুপ ও গ্রিন টি। আর ডেজার্ট হিসেবে তারা সব সময়ই ফল খেয়ে থাকে। শুনলে অবাক হবেন, জাপানের মানুষ বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ মাছ খেয়ে থাকে। নিয়মিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ মাছ খাওয়ার কারণে তারা  বেশিদিন বাঁচে। আর বাঁধাকপি, ব্রকোলি, ফুলকপি, পাতা কপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট খাওয়ার কারণে তারা শারীরিকভাবে সুস্থও থাকে।

৩. জাপানের মেয়েরা মৌসুমি ও সতেজ খাবার বেশি খায়। সেখানকার সুপারমার্কেটগুলোতে কোনো বাসি খাবার পাওয়া যায় না। প্রতিদিন প্যাকেট হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই জাপানের মেয়েরা প্রস্তুতকৃত খাবার, মাছ, মাংস ও সবজি কেনে। এ কারণে তারা পুষ্টিগুণ বজায় থাকাবস্থায় খাবার খেতে পারে।

৪. জাপানের মেয়েরা অনেক ধরনের খাবার খায় তবে অল্প পরিমাণে। তারা প্রতিটি খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে ও আস্তে আস্তে খায়। তাদের খাবার খাওয়ার ধরন হলো :

# কখনোই প্লেট ভরে খাবার নেয় না

# কখনোই কোনো একটা খাবার বেশি পরিমাণে খায় না

# প্রতিটি খাবার আলাদা আলাদা বাটিতে পরিবেশন করে

# প্রতিটি খাবার অল্প পরিমাণে পরিবেশন করে

# খাবার অবশ্যই সতেজ হতে হবে

৫. জাপানের মেয়েরা খুবই অল্প মসলা দিয়ে খাবার রান্না করে। অল্প আঁচে এসব খাবার রান্না করা হয়। যাতে এর পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। যেসব তেল হৃৎপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর, সেই তেল দিয়ে তারা খাবার রান্না করে।

৬. মজার বিষয় হলো আমরা মেদ কমানোর জন্য ভাতের পরিবর্তে রুটি খাই। আর জাপানের মেয়েরা রুটির পরিবর্তে ভাত খায়। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিমা বিশ্বে গমের রুটিই মোটা হওয়ার প্রধান কারণ। এ কারণে জাপানের মেয়েরা প্রতিদিন এক থেকে দুবার আধা কাপ ব্রাউন রাইস খেয়ে থাকে, যাতে তারা মোটা না হয়।

৭. জাপানের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি খাবার খায় সকালের নাশতায়। তারা এ সময় অনেক ধরনের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করে। সেদ্ধ ভাত, টফু ও পেঁয়াজের কলি দিয়ে মিসো স্যুপ, ছোট এক টুকরা শুকনো শৈবাল, ডিমের ওমলেট অথবা এক টুকরা মাছ ও গ্রিন টি সকালের নাশতা হিসেবে খেয়ে থাকে।

৮. জাপানের মেয়েরা বাজারের তৈরি কোনো ডেজার্ট সচরাচর খায় না। চকলেট, কেক, বিস্কুট, আইসক্রিম খুবই অল্প পরিমাণে খায়। কারণ তারা এগুলোর ক্ষতিকর দিকগুলো জানে এবং মানারও চেষ্টা করে।

৯. জাপানের মেয়েরা খাবার খেতে খুব পছন্দ করে। যেখানে পশ্চিমা দেশগুলোর মানুষ তাদের স্থুলতা নিয়ে চিন্তিত থাকে এবং সারাক্ষণ ডায়েটের মধ্যে থাকে সেখানে জাপানের মেয়েরা কোনো রকম ডায়েট ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকে। তবে অবশ্যই পরিমাণে কম।

১০. জাপানের মেয়েদের মোটা না হওয়ার এবং বেশিদিন বাঁচার আরেকটি কারণ হলো তারা নিয়মিত ব্যায়াম করে। ব্যায়মের জন্য তারা অবশ্য কোনো জিমে যায় না। নিয়মিত সাইকেল চালানো, সময় পেলেই হাঁটা এবং মাঝে মাঝে পাহাড়ে চড়ার মতো কাজগুলো তারা ইচ্ছা করেই করে থাকে।